বয়স ও বন্ধ্যাত্ব

  • হোম
  • বয়স ও বন্ধ্যাত্ব
image
বয়স কীভাবে প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে

এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

প্রজনন স্বাস্থ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে বয়স একটি। শরীরের স্বাভাবিক সময়রেখা কীভাবে প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে তা বুঝলে দম্পতিরা ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে এবং সময়মতো সাহায্য নিতে পারেন।

  • মহিলা -
    • মহিলারা জন্ম থেকেই নির্দিষ্ট সংখ্যক ডিম্বাণু (ওভারিয়ান রিজার্ভ বা ডিম্বাণুর মজুত) নিয়ে জন্মান, যার সংখ্যা ও মান সময়ের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে।
    • প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে ডিম্বাণুর মজুত ধীরে ধীরে কমতে থাকলেও, সাধারণত 32 বছরের পরে এই হার দ্রুত হয় এবং 35 বছরের পরে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
    • মায়ের বয়স বেশি হলে প্রতি চক্রে স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণের হার কম হয় এবং ক্রোমোজোমের পরিবর্তন ও গর্ভাবস্থার জটিলতার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • পুরুষ -
    • প্রাপ্তবয়স্ক জীবন জুড়ে শুক্রাণু তৈরি হতে থাকে; তবে বয়সের সঙ্গে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতার বিভিন্ন মাপকাঠি ধীরে ধীরে কমে।
    • বাবার বয়স বেশি হলে (সাধারণত 40–45 বছর ও তার বেশি) শুক্রাণুর DNA-র গঠন, গতিশীলতা এবং গর্ভধারণে সময় লাগার ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।
    • 30 বছরের কম বয়সী পুরুষদের তুলনায় 40 বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রে এক বছরের মধ্যে সফল গর্ভধারণে ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা 30% কম।

বয়স কীভাবে প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে

দম্পতির গর্ভধারণের ক্ষমতায় বয়সের বড় ভূমিকা আছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে পুরুষ ও মহিলা দুজনেরই প্রজনন ক্ষমতায় পরিবর্তন আসে, তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশি স্পষ্ট।

বয়স কেন গুরুত্বপূর্ণ?

প্রজনন ক্ষমতা সারা জীবন একরকম থাকে না। বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তনের ফলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমে যায়। এর প্রধান কারণ হল মহিলাদের ডিম্বাণুর মান ও সংখ্যা কমে যাওয়া এবং পুরুষদের শুক্রাণুর মানে ধীরে ধীরে পরিবর্তন।

মহিলাদের প্রজনন ক্ষমতা ও বয়স

পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা ও বয়স

মূল কথা

বয়স অনেকগুলি বিষয়ের মধ্যে একটি মাত্র, তবে গুরুত্বপূর্ণ। আগে পরিবার পরিকল্পনা করলে জটিলতা কমে এবং সাফল্যের হার বাড়ে। যাঁদের বয়স বেশি, তাঁরা ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ডিম্বাণু বা শুক্রাণু সংরক্ষণ (ফ্রিজিং), IVF বা ICSI-এর মতো বিকল্পগুলি বিবেচনা করলে অনেক উপকার পেতে পারেন।