প্রজনন স্বাস্থ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে বয়স একটি। শরীরের স্বাভাবিক সময়রেখা কীভাবে প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে তা বুঝলে দম্পতিরা ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে এবং সময়মতো সাহায্য নিতে পারেন।
দম্পতির গর্ভধারণের ক্ষমতায় বয়সের বড় ভূমিকা আছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে পুরুষ ও মহিলা দুজনেরই প্রজনন ক্ষমতায় পরিবর্তন আসে, তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশি স্পষ্ট।
প্রজনন ক্ষমতা সারা জীবন একরকম থাকে না। বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের স্বাভাবিক পরিবর্তনের ফলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমে যায়। এর প্রধান কারণ হল মহিলাদের ডিম্বাণুর মান ও সংখ্যা কমে যাওয়া এবং পুরুষদের শুক্রাণুর মানে ধীরে ধীরে পরিবর্তন।
বয়স অনেকগুলি বিষয়ের মধ্যে একটি মাত্র, তবে গুরুত্বপূর্ণ। আগে পরিবার পরিকল্পনা করলে জটিলতা কমে এবং সাফল্যের হার বাড়ে। যাঁদের বয়স বেশি, তাঁরা ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ডিম্বাণু বা শুক্রাণু সংরক্ষণ (ফ্রিজিং), IVF বা ICSI-এর মতো বিকল্পগুলি বিবেচনা করলে অনেক উপকার পেতে পারেন।